করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে কোন দিন কি কি লক্ষন দেখা যেতে পারে।

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on pinterest

এই ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে সাধারনত ১৪ দিনের ভিতর ই এর লক্ষন গুলো দেখাযায়। এবং আমরা সবাই কম-বেশি করোনায় আক্রান্ত হবার লক্ষন গুলো জানি। কিন্তু আজ আমরা জানবো এর লক্ষন গুলো কিভাবে ধীরে ধীরে প্রকট হয়ে উঠে এবং কি ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়া শুরু করে আমাদে শরীরে।


প্রঘম থেকে তৃতীয় দিন

সর্দি কাশির মত লক্ষন দেখা দেয়। হালকা গলা ব্যাথা এবং জ্বর থাকবে। ক্লান্ত অনুভব করবেন না। এসময় রোগী স্বাভাবিক খাবার গ্রহন ও পান করতে পারে।

চতুর্থ দিন

গলায় কিছুটা ব্যাথা অনুভূত হয়। শরীর মাতাল ভাব অনুভব করে, কণ্ঠস্বরে ব্যাথা অনুভূত হয়। শরীরের তাপমাত্রা থাকে ৯৭.৭ ডিগ্রী। খাদ্যাভ্যাসে সমস্যা দেখা দেয়। হালকা মাথা ব্যাথা অনুভূত হয় এবং ডায়রিয়া দেখা দেয়।

Image Source: World Health Ogranization & BBC

পঞ্চম দিন

গলা ব্যাথা হয় এবং কন্ঠ ভেঙ্গে যায়। শরীরের তাপমাত্রা ৯৭ ডিগ্রী থেকে ৯৮ ডিগ্রী তে পৌঁছে যায়। শরীর দুর্বল এবং জয়েন্টে ব্যাথা অনুভূত হয়।

ষষ্ঠ দিন

শরীরে হালকা জ্বর অনুভূত হয় এবং তাপমাত্রা থাকে ৯৮.৬ ডিগ্রী। শুকনো কাশি দেখা দেয় এবং খাবার খাওয়া ও কথা বলার সময় গলায় ব্যাথা হয়।
ক্লান্ত এবং বমি বমি ভাব হয়। মাঝেমাঝে শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়। কখনো কখনো আঙ্গুলে ব্যাথা অনুভব হয়। ডায়রিয়ার সাথে বমি হয়।

সপ্তম দিন

শরীরে অনেক জ্বর দেখায় দেয়। তাপমাত্রা থাকে ৯৯ ডিগ্রী থেকে ১০০ ডিগ্রির উপরে। অবিরাম কাশির সঙ্গে সঙ্গে কফ পরতে থাকে। শরীর ব্যাথা এবং মাথা ব্যাথা দেখা দেয়। ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়তে থাকে এবং বমি হয়।

অষ্টম দিন

শরীরে জ্বর থাকে ১০৪ ডিগ্রী কিংবা তার উপরে। শ্বাসকষ্ট অনুভূত হয় এবং প্রতিবার শ্বাস নেবার সময় বুক ভারি লাগে এবং অবিরাম কাশি হয়।
মাথায় ব্যাথা এবং জয়েন্ট গুলোতে তীব্র ব্যাথা অনুভূত হয়। এবং এর পাশাপাশি নিতম্বে ব্যাথা হয়।

নবম দিন

আগের লক্ষণ গুলো অপরিবর্তিত এবং অবস্থা আরও খারাপ হয়। জ্বর আরও তীব্র হয়, কাশি বৃদ্ধি পায় এবং শ্বাস নিতে অসুবিধা এবং অনেক সংগ্রাম করতে হয়। এমতাবস্থায় রক্ত পরিক্ষা এবং বুকের এক্সরে করা প্রয়জন।

Subscribe to our Newsletter

সম্পর্কিত আরো লেখা সমূহ

//graizoah.com/afu.php?zoneid=3546031