ক্লান্তিহীন শরীরের জন্য প্রতিদিন পান করুণ তুলসী জুস

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on pinterest

গত ৫০০০ বছর ধরে নানা রোগ সারাতে এই গাছটিকে কাজে লাগানো হয়ে আসছে, তা ত্বকের রোগ হোক কী চুল, বা অন্য কোনো শারীরিক অসুবিধা। আসলে তুলসী গাছের রস বা তুলসী জুস এর মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা ছোট-বড় নানা রোগ সারাতে দারুণ কাজে আসে।

আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুসারে তুলসী গাছের পাতা খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে, সেই সঙ্গে নানা ধরনের সংক্রমণ হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে নানা রোগ এমনিতেই দুরে পালায়।

তাই তুলসী গাছকে বলা হয় ভেষজ গাছের রানি বা কুইন অব হার্ব। অনেক রকমের তুলসী আমাদের দেশে আছে: বাবুইতুলসী, রামতুলসী, কৃষ্ণতুলসী, কর্পূরতুলসী, বনতুলসী ইত্যাদি। সব তুলসীগাছেরই আমাদের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখার অদ্ভুত এক প্রাকৃতিক শক্তি রয়েছে।

তুলসী জুস

আসলে ‘দ্য কুইন অব হার্বস’ নামে পরিচিত তুলসি গাছের গুণাগুণ লিখে শেষ করা সম্ভব নয়। তবু কয়েকটির কথা না বললেই নয়।

যেমন দাঁতের ব্যাথায় একবার যারা ভুগেছেন তারা খুব ভাল করেই জানেন এর যন্ত্রনা কতোটুক কষ্টদায়ক। তখন ফার্মেসি থেকে শুরু করে দাঁতের ডাক্তারের কাছ পর্যন্ত আমাদের দৌড়াতে হয়।

অথচ কথায় আছে প্রতিকার অপেক্ষা প্রতিরোধ উত্তম। যদি আপনি নিয়মিত তুলসী জুস পান করে থাকেন তবে তা আপনাকে আগাম প্রতিরোধ করতে সহায়তা করবে। শুধু দাঁতের ব্যাথাই নয় কিন্তু! অনেক সময় আমাদের বিভিন্য কারনে আমাদের হাড়ের ভিতর ব্যাথা সৃষ্টি করে। সেই ব্যাথা উপশমে তুলসী জুস বিশেষভাবে উপকারী।

কফের সমস্যা হলে গ্রামে অনেকে তুলসী পাতা থেকে জুস বানিয়ে খেয়ে উপকার পায়। এটির আরেকটি চমৎকার ক্ষমতা রয়েছে: মুখের ভেতরে দাঁতের ক্ষত ও মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ৯৯ শতাংশ ধ্বংস করতে পারে, দাঁতের ক্ষয় কমায়। তাই এতসব উপকারিতা পেতে নির্দ্বিধায় আপনিও পাণ করতে পারেন আলাদীনের তুলসি জুস

আর যাদের রক্তে সুগারের পরিমাণ বেশি এবং ডায়াবেটিকস কন্ট্রোলে নেই তারা এ্যালোভেরা জুস নিয়মিত পাণ করতে পারেন।

তুলসী জুসের গুনাগুন ও উপকারিতা

১. কফ নিরাময়, কৃমিনাশক, বায়ুনাশক, হজমকারক ও শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা নিরাময়ে কার্যকারী।

২. প্রস্রাবের জ্বালা যন্ত্রনায় বিশেষ উপকারী।

৩. ভিটামিন সি, ও এন্টি-অক্সিডেন্ট নার্ভকে শান্ত করে শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন রাখে।

৪. ফাইটো নিউট্রিয়েন্টস ও অ্যাসেন্সিয়াল অয়েল তারুন্য এবং স্মরণশক্তি দীর্ঘস্থায়ী করে।

৫. ভাইরাস, ব্যাকেটেরিয়া ও ফাংগাস থেকে ফক্ষা করে মাথা ও শরীর ব্যাথা কমায়।

৬. ফাইটো কেমিক্যালস, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অর্গানিক কম্পাউন্ড ভাল কোলেস্টেরল বাড়ায়, খারাপ কোলেস্টেরল হ্রাস পায়।

৭. দাঁত ও হাড়ের ভিতরের ব্যাথা দূর করে এবং পুরুষের বীর্য বৃদ্ধি পায়।

৮. বমি ভাব দূর হয় এবং খাবারের রুচি বাড়ে।

উপাদান

উলসি বীজ, স্টেভিয়া, ইসবুল, প্রাকৃতিক ভিটিয়ামিন সি ও অন্যান্য হারবাল উপাদান দ্বারা তৈরি। 

জুস তৈরির নিয়ম

১ গ্লাস ঠান্ডা পানিতে প্যাকেটের ড্রাই জুস ঢেলে চামচ দিয়ে নেড়ে ২ মিনিট পর পান করুন।

Subscribe to our Newsletter

সম্পর্কিত আরো লেখা সমূহ